Wednesday, May 13, 2015

ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানোর কয়েকটা কিলার টিপস

সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সুরু করছি আজকের এই টিউন। আশা করি সবাই ভালো আছেন। আজকে ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়ানো নিয়ে কয়েকটি কথা বলবো যা আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়িয়ে দিবে ১০০% গ্যারান্টি। কারন যারা একেবারে নতুন তারা ওয়েবসাইট এর স্পীড নিয়ে খুব দুচ্চিন্তায় থাকেন। যাহোক কাজের কথায় আসি।
১। সবার আগে আমি মনে করি যে বিষয় টি গুরুত্বপূর্ণ সেটা হল ভালো হোস্টিং। কারন যে মাটিতে ফসল ফলাবেন সেই মাটি যদি ভালো না হয় তাহলে যতই কিছু করেন না কেন তেমন কোন ফল পাবেন না বা কোন কাজ হবে না। আমদের অনেকেই সবসময় সস্তা হোস্টিং খোঁজে। মনে রাখবেন আপনি ৫০ টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং পাবেন আবার ১/২ হাজার টাকায় ও ১ জিবি হোস্টিং কিনতে পারবেন। এখন আপনি নিজেই ভাবুন কোন কোয়ালিটির হস্টিং কিনবেন। আমি মনে করি আপনি যদি সত্যি সত্যি এই পেশায় আসতে চান তাহলে অবশ্যই ভালো মানের হোস্টিং আপনাকে কিনতে হবে। আমি নিজেই এই হোস্টিং বাবসার সাথে জরিত তাই নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কথা গুলো বললাম। কারন আমার কাছে অনেক কাস্টমার আসে যাদের কাছে কোয়ালিটির চেয়ে টাকার গুরুত্ব বেশি। তার মানে এই নয় যে আপনাকে বেশি দামে হোস্টিং কিনতে হবে। কারন অনেকে আবার নিম্নমানের হোস্টিং আপনার কাছে ভালো বলে বেশি দামে চালিয়ে দিতে পারে তাই সাবধান। কেনার আগে অবশ্যই যাচাই করে নিবেন।
২। আপনার ওয়েবসাইট এর স্পীড বাড়াতে অবশ্যই আপনার সাইট কে কম্প্রেস করতে হবে যাতে সাইজ ছোট হয়। সাইজ ছোট হবে সাইট ততো তারাতারি লোড হবে। সাইট এর সাইজ ছোট করতে দুইটি উপায় আছে।
একটি হল আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইট এ gzip অন করতে হবে। gzip অন করতে এই লিঙ্ক এ জান।
এখানে yourdomain এর জায়গায় আপনার সাইট এর লিঙ্ক দিন। এখনে দেখবেন অনেক অপশন আছে। নিছের দিকে গেলে gzip নামে একটা অপশন পাবেন এখানে ০ এর জায়গায় ১ দিন।
আর একটি হল সি-প্যানেল এর মাধ্যমে। আপনার সাইট এর সি-প্যানেল এ দেখুন website optimize নামে একটা অপশন আছে। ওখানে গিয়ে অন করে দিন। আর না পারলে সি-প্যানেল এর মাধ্যমে কি করে করবেন এই আমি একটা টিউন করেছি ওইটা দেখুন। আগে না দেখলে এখানে ক্লিক করে দেখুন।
৩। ক্যাশ প্লাগিন ব্যবহার করা। এটিও একটা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাটার। অনেক ক্যাশ প্লাগিন আছে এর মধ্যে w3 total cache & wp-super cache সবচেয়ে ভালো বলে আমি করি। আপনার যদি স্ট্যাটিক সাইট হয় মানে হল তেমন কোন পরিবর্তন করতে হয় না তাহলে বলবো wp-super cache প্লাগিন টা ব্যবহার করেন। আর যদি আপনার সাইট ব্লগ হয় তাহলে w3 total cache এইটা ব্যবহার করুন। এর কারন হল ব্লগ সাধারনত টিউন এ ভিউ কাউন্টার ব্যবহার করা হয় যে একটা টিউন কতবার পড়া হয়েছে। আপনি যদি w3 total cache ব্যবহার করেন তাহলে এই ভিউ কাউন্টার ঠিক মতো কাজ করবে কিন্তু যদি wp-super cache ব্যবহার করেন তাহলে টিউন ভিউ করলে যে কাউন্টার সংখ্যা এক এক করে বারবে সেটা বারে না। এর কারন হল এই প্লাগিন আপনার সাইট এর প্রতিটি পেজ বা টিউন কে একটা এইচটিএমএল পেজ বানিএ এ ফেলে ফলে নতুন কোন টিউন পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট না করলে এর সংখ্যা বারে না। তবে কোন টিউন পাবলিশ বা ক্যাশ ডিলিট করলে একবারে বারে।
৪। সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল গুলো কম্প্রেস এবং মিনিফাই করে ব্যবহার করা। এই কাজটি ম্যানুয়ালি করলে সবচেয়ে ভালো হয়। গুগল সার্চ দেন অনেক সাইট পাবেন সেখানে আপনার সিএসএস এবং জাভা স্ক্রিপ্ট ফাইল Minify এবং Compress করতে পারবেন।
৫। যত পারেন HTTP request সংখ্যা হ্রাস এর চেষ্টা করা।
৬। যেগুলো ছবি আপলোড করবেন সেগুলো আগে অপ্টিমাইজ করে নিবেন। এর জন্য অনেক টুলস এবং সাইট আছে তবে আপনি ফটোশপ ব্যবহার করতে পারেন। এটা অনেক ভালো। তবে ব্লগ সাইট হলে তো এটা সম্ভব না তাই অনেক প্লাগিন আছে যেটা কোন ছবি আপলোড এর সময় সাইজ অনেক কমিয়ে দেয় অটোমেটিক ভাবে। যেমন, Smush.it, Pngcrush এবং Imagemagick অন্যতম।
৭। স্টাইল সীট সবসময় হেডার এ এবং স্ক্রিপ্ট ফাইল সবসময় ফুটার এ রাখার চেষ্টা করা। এর উপর সাইট এর স্পীড অনেক খানি নিরভর করে।
৮। কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) বাবহারের চেষ্টা করা এতে সাইট এর স্পীড অনেক বেরে যায়। তবে এটা সবার পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব নয়।
আরও অনেক ব্যাপার আছে তবে আপনি যদি এইগুলো করতে পারেন আশা করা যায় আপনার সাইট এর স্পীড নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না।

Saturday, March 2, 2013

ফ্রিল্যান্সার? ইন্টারভিউয়ে যে ৮ বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন!

ফ্রিল্যান্সার? ইন্টারভিউয়ে যে ৮ বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন!

ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইন্টারভিউয়ে সন্তুষ্ঠ হওয়ার পরই বায়ার কাজ দিয়ে থাকেন। বায়ারের সামনে নিজেকে তাই এমনভাবে উপস্থাপন করতে হবে যেন মনে হয় আপনাকে হায়ার করাই হবে তাঁর উত্তম সিদ্ধান্ত!

অনেকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ইন্টারভিউয়ের সময় কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। এটি আসলে এক কথায় বলে দেয়া সম্ভব নয়। ভাল ইন্টারভিউয়ের জন্য বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখা জরুরী। বিষয়গুলো নিয়ে এ পোস্টটির মাধ্যমে আলোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে।

হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন
ইন্টারভিউয়ের সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। স্কাইপ কিংবা ইমেইল, যেভাবেই যোগাযোগ হোক না কেন, বায়ার যেন বুঝতে পারে আপনি খুবই বন্ধুভাবাপন্ন ও তাঁর সাথে কথা বলে আনন্দ পাচ্ছেন। লেখা/বলার মাধ্যমেই বোঝাতে হবে আপনি কাজের ক্ষেত্রে কতোটা আগ্রহী।

মনোযোগ দিয়ে শুনুন
বায়ায়ের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। তিনি কি চাচ্ছেন, কি কাজ করাবেন, আপনাকে নির্বাচন করলে তাঁর প্রত্যাশাগুলো বুঝতে হবে। বায়ার যা বলবে সেগুলো নোট করে রাখুন। মনে রাখতে হবে, কাজটি সম্পর্কে যত আগ্রহ দেখাবেন বায়ার ততটাই সন্তুষ্ঠ হবেন।

প্রজেক্ট সম্পর্কে প্রশ্ন করুন
যে কাজটি করতে যাচ্ছেন তা সম্পর্কে ভাল ধারণা না থাকলে কাজটি করা সহজ হবে না। প্রজেক্টটিতে সর্বোচ্চ আউটপুট দিতে বায়ারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জেনে নিন। যতক্ষণ ভালভাবে পুরো প্রজেক্ট সম্পর্কে না জানছেন ততক্ষণ পর্যন্ত জিজ্ঞাসা করতে পারেন। অনেকে মনে করতে পারেন বায়ার এতে রেগে যেতে পারেন। কিন্তু এটি একেবারেই ভুল ধারণা। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, বায়ার এতে বিরক্ত না হয়ে বরং আপনার আগ্রহ দেখে খুশি হবে।

অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরুন
ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে ভাল পোর্টফোলিও থাকা জরুরী। ইন্টারভিউতে অংশ নেয়ার আগে সংশ্লিষ্ঠ কাজের পোর্টফোলিওগুলো রেডি রাখতে হবে। যাতে বায়ার আগের কাজগুলো দেখতে চাইলে সেটি সহজেই প্রদর্শণ করা যায়। কিভাবে আগের কাজটি করেছেন এবং নতুন বায়ারের কাজটি কিভাবে সম্পন্ন করতে পারবেন সেটি দেখাতে পারলে কাজ পাওয়া আর কেউ ঠেকাতে পারবে না বস!

পরিকল্পনা শেয়ার করুন
পরিকল্পনা শেয়ার করে বায়ারকে বেশি সন্তুষ্ট করা যায়। ক্লায়েন্টের কাজটি কিভাবে সম্পন্ন করবেন সে পরিকল্পনা শেয়ার করবেন। ভালহয় পুরো প্রজেক্টটি আপনি কিভাবে করবেন, কোনটির পর কোনটি ধরবেন এইটার বিস্তুারিত প্রজেক্ট ফ্লো তুলে ধরতে পারলে।

পেমেন্ট ও ডেডলাইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানান
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনার সময়ের মূল্য অবশ্যই আছে। আপনি কাজটি পাচ্ছেন কিনা সেটি জানার জন্য অবশ্যই আপনি ৩ ঘন্টার ইন্টারভিউ দিবেন না! তাই আপনাকে অবশ্যই আগে থেকে আপনার পেমেন্ট, সম্ভাব্য ডেডলাইনসহ সংশ্লিষ্ঠ বিষয়গুলো জানিয়ে দিতে হবে। তাঁর সাথে আলোচনার মাধ্যমে নেগোসিয়েশন করতে পারেন।

যোগাযোগের সময় জানিয়ে দিন
কাজের প্রয়োজনে বায়ারকে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আগে থেকেই যোগাযোগের ইমেইল, স্কাইপ আইডি এবং প্রয়োজনে ফোন নম্বরটি শেয়ার করতে হবে। কখন অনলাইনে থাকবেন, কখন যোগাযোগ করবেন সেটি পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিতে হবে। আপনাকে তিনি হায়ার করবেন কিনা সেটা নিশ্চিত নয়, তবে প্রয়োজনে যেন যোগাযোগ করতে পারে সে সুযোগটি তৈরি করে দিতে হবে।

প্রজেক্ট পাওয়া নিশ্চিত হোক কিংবা না হোক, অবশ্যই বোঝাতে হবে আপনি কাজটি করতে আগ্রহী, জানাতে হবে আপনার দক্ষতা ও একাগ্রতার কথাও। নিজেকে প্রমাণ করতে হবে সব ভাল আউটপুট প্রদানকারী ফ্রিল্যান্সার হিসাবে।

না বলতে শিখুন!
হুমায়ুন আহমেদের রাবেয়া-র কথা মনে আছে আপনাদের? ঐ যে প্রতি বছরই প্রেগন্যান্ট হয়ে যেত যে মেয়েটা! তাঁকে যখন জিজ্ঞাসা করা হত ‘কি ব্যাপার? তুমি আবার প্রেগন্যান্ট হলে কি করে?’ ‘আমি কাউকে না করতে পারি না!’

ফ্রিল্যান্সার বন্ধুরা, এই না করতে পারার পরিণাম? ;-)

প্রফেশনাল কাজের ক্ষেত্রে আপনাকেও না বলতে শিখতে হবে। ক্লায়েন্ট আপনাকে আপনি যে বিষয়ে অভিজ্ঞ না সে বিষয়ে কাজ করতে বললে, কম মূল্যে কাজ করতে বললে কিংবা বিনামূল্যে স্যাম্পল করে দিতে বললে না বলতে হবে। এতে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কমবে না, বরং বাড়বেই!

এই টিপসটি শেয়ার করেছিলেন বাংলাদেশ ওপেনসোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান। কিউবি ল্যাপটপ মেলা ২০১৩ ভেন্যুতে আয়োজিত ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক অনুষ্ঠান ‘Taking Freelancing to next height’ অনুষ্ঠানে তিনি ফ্রিল্যান্সারদের এ টিপসটি দেন। মুনির হাসানের মতে, ক্লায়েন্টকে সবসময় কাজটি পারবো, কাজটি পারবো এমন বলা যাবে না। মাঝে মাঝে না বলাও শিখতে হবে। এতে কাজ পাওয়ার হার কমবে না। বরং অনেক বেড়ে যাবে। না বললে কাজের ক্ষেত্র বাড়ে অনুষ্ঠানে এমন বাস্তব কয়েকটি উদাহরণ দিয়েছিলেন বেসিস ফ্রিল্যান্সার অব দ্যা ইয়ার ২০১১, এনায়েত হোসেন রাজিবও!

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ইন্টারভিউয়ের অভিজ্ঞতাগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। পাশাপাশি এই ধরণের গাইডলাইনমূলক তথ্য আরো জানতে চান কিনা সেটি জানাতে ভুলবেন না। ডেভসটিম ইনস্টিটিউট আপনাদের পাশেই থাকবে।

আপনার বন্ধুরাও যাতে এই দরকারি বিষয়গুলো দেখতে পারেন সেজন্য লেখাটি শেয়ার করুন। ছড়িয়ে দিন সবার মাঝে। :-)

DevsTeam Institute

Tuesday, February 26, 2013

ট্যাগ কী ? (এইচটিএমএল পার্ট-২)


আগের পাঠে এইচটিএমএল ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে বেসিক ধারনা পেয়ছেন , আজ আপনাদের এইচটিএমএল ট্যাগ সম্পর্কে ধারনা দিবো। তার আগে আপনি আপনার নোডপ্যাড ওপেন করে নিন। যারা নোডপ্যাড খুজে পাচ্ছেন না তারা প্রথমে Start >> All Programs >> Accessories>> Notepad এ ক্লিক করুন অথবা Run এ গিয়ে Notepad টাইপ করে এন্টার চাপুন।

ট্যাগ কী?

ট্যাগ যেকোন নির্দেশ কে সুনির্দিষ্ট করে দেয়।এতে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। সাধারনত Less Than  ও  Greater than (বা এঙ্গেল ব্রাকট – < >) ব্যবহার করা হয়। আপনি Bold নামক শব্দ দিয়ে এইচটিএমএল এর যেকোন টেক্সট কে বল্ড করতে পারবেন , কিন্তু বল্ড এর জন্য সংকেত B নিদির্ষ্ট করা আছে । এই B বসবে এবং এর দু’পাশে Less Than  ও  Greater than (বা এঙ্গেল ব্রাকট – < >) , অর্থাৎ  <B> হবে। ট্যাগের ৩টি অংশ থাকে ,
  1. শুরু করার ট্যাগ ( যা দিয়ে শুরু হবে , যেমনঃ <b>)
  2. বিষয়বস্তু (যা লিখবেন)
  3. শেষ করার ট্যাগ ( এটা দিয়ে ট্যাগ শেষ করতে হবে এবং এতে সংকেতের আগে স্লাস ‘/’ করতে হবে,  যেমনঃ </b>)
উদাহারনঃ
[html]<b>bdtutorial24.com</b>[/html]
তবে একটি জিনিস মনে রাখবেন ট্যাগ গুলো ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লিখবেন। নিচের কোড দেখুন
[html]
<html>
<head>
<title>Title of the document</title>
</head>
</html>[/html]
এখানে <html> , <head> , <title > এবং </html> , </head> , </title > তিনটি আলাদা ট্যাগ । এদের শুরু হয়েছে এবং ‘/’ দারা শেষ হয়েছে।
পরের পার্টে এ্যাট্রিবিউট নিয়ে আলোচনা করবো।

এইচটিএমএল কী? (এইচটিএমএল পার্ট-১)


এইচটিএমএল / HTML শব্দের অর্থ Hypertext Markup Language । এইচটিএমএল ডকুমেন্ট ফাইল হলো, অত্যন্ত সাধারন টেক্সট ফাইলের মতোই। ১৯৪৫ সালে প্রথম As We May Think  প্রবন্ধে মিস্টার ভ্যানভার এই হাইপার টেক্সট সম্পর্কে ধারনা দেন। তবে এর অনেক পরে  www এর জনক স্যার টিম বার্নাসলী এই ভাষার প্রাথমিক রূপ দেন।
বর্তমান সময় মানুষ হয়ে যাচ্ছে ওয়েব নির্ভর। এখন আর সেই আগের দিন নাই যখন মানুষ মনে বার্তা পাঠাতে কবুতর ব্যবহার করতো। এখন এসেছে প্রযুক্তি আর এই প্রযুক্তি একটা বড় অংশ জুরে আছে ইন্টারনেট। আর এই Hypertext Markup Language বা এইচটিএমএল , এটা দিয়ে আপনি একটা ওয়েবপেজ বানাতে পারবেন। আর এই ওয়েবপেজ কে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিমিসে ছড়িয়ে দিতে পারবেন যেকোন যায়গা।
তাহলে নির্চয় বুঝতে পারছেন এই Hypertext Markup Language বা এইচটিএমএল শেখা কত জরুরি। এটা শেখতে আপনাদের তেমন কোন সফটওয়্যারের প্রয়োজন হবে না। শুধুমাত্র একটা এডিটর এর প্রয়োজন হবে , যেটা আপনি আপনার অপরেটিং সিস্টেমের সাথে বিল্ট-ইন অবস্থায় পাবেন। যেমন আপনি যদি উইন্ডোজ ব্যবহার করে তাহলে তাতে পাবেন নোটপ্যাড । আর আপনার Hypertext Markup Language বা এইচটিএমএল দারা যে দকুমেন্ট তৈরি করবে তা দেখার জন্য দরকার হবে একটি ওয়েব ব্রাউজার(মজিলা ফায়ারফক্স বা এক্সপ্লোর) যা অবশ্যই আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল দেওয়া আছে।
তো আর দেরি কেন? শুরু করে দেন এইচটিএমল শেখা এবং হয়ে যান একজন Hypertext Markup Language বা এইচটিএমএল গুরু। পরের পর্বে আমাদের প্রধান পাঠ আলোচনা করা হবে।

পেশাগত ওয়ার্ডপ্রেস পর্ব ১ : ওয়ার্ডপ্রেস কি এবং পেশাগত কাজে এর ব্যবহার ?


এর আগে আমি এই ব্লগে ওয়ারপ্রেস দিয়ে একটি ফ্রী ব্লগ তৈরি করার ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল লিখছিলাম। তবে ওটা ছিলো মাত্র নিজের একটা ছোট ব্লগ তৈরির টিউটোরিয়াল। এখন আমি ওয়ার্ডপ্রেস কে কাজে লাগিয়ে আপনারা কিভাবে ইনকাম অথবা কিভাবে পেশাগত কাজে একটা ক্রিয়েটিভ কাজ করতে পারেন সে সম্পর্কে আলোচনা করবো।

ওয়ার্ডপ্রেস কি ?

ওয়ার্ডপ্রেস প্রথম  পর্যায়ে একটি ফ্রি ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল যা পরবর্তীতে একটি ইঞ্জিন তৈরি করে এবং বিনামূল্যে তা ডাউনলোড করে যেকোনো ব্লগারকে ব্যবহারের সুবিধা দিতে শুরু করে ।ওয়ার্ডপ্রেস মূলতঃ একটি ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপলিকেশনস ও কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS]। আমি যত দূর যানি  এই প্লাটফর্ম চালু হয় ২০০৩ সালে । এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS] টা কী জিনিস ? হে কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS] হল আপনার সাইট/ব্লগ এর বিভিন্ন তথ্য ব্যবস্থাপনার একটি সক্রিয় সিস্টেম , তথ্য হতে পারে কোন ছবি বা কোন গান বা কোন বাক্য। কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS]মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট/ব্লগ এর যেকোন পরিবর্তন , সংশোধন , সংযোজন , বা মুছে ফেলতে পারবেন । আর এই ওয়ার্ডপ্রেস হল এমনি একটি শক্তিশালি কন্টেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা সিএমএস [CMS] যা আপনি ব্যবহার করতে পারবেন সম্পুর্ন ফ্রীতে ।

পেশাগত কাজে ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস একটা ওপেন সোর্স সিএমএস হলেও এটাকে আপনি পেশাগত ভাবে নিতে পারেন। অনলাইনে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ করে অনেক পরিমান টাকা আয় করতে পারেন। অনলাইনে এমন কিছু মার্কেটপ্লেস আছে যেখানে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ করে আপনি মাসে হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারেন , তবে এটা বলা যত সহজ করা ততটাই কঠিন । অর্থাৎ এই লাইনে আপনাকে কাজ করতে গেলে একটু ধর্য্য ধরতে হবে, তবে হ্যা আমি যেহেতু পেশাগত ভাবে বলেছি তাই অল্প সল্প জেনে আপনার এই লাইনে আশা ঠিক হবে , আপনাকে ওয়ার্ডপ্রেস এর সম্পর্কে অনেক ভাল মানের এবং সর্বোচ্চ জ্ঞান নিয়ে আপনাকে পেশাগত কাজে আসতে হবে ।

কিভাবে কাজ পাবেন

এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস অনেক ভাল ভাবে শিখলেন , কিন্তু কাজ পাবেন কথায় তাই না। হ্যা আপনাদের মত ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের জন্য আছে অনলাইনে অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস , যেখানে আপনাদের কাজের অনেক মুল্য। আপনাদের ঐ সব মার্কেটপ্লেস এ যেতে হবে রেজিট্রেশন এর মাধ্যমে তাদের সাইটের সদস্য হতে হবে। একটা উদাহারন দেখা যাক,

উদাহারন

যেমন odesk.com একটা অনেক বড় ফ্রীল্যান্স ওয়েব সাইট এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার কাজ জমা হয়, এখানে সব কাজের পাশা পাশি ওয়ার্ডপ্রেস এর অনেক কাজ জমা হয় তাই না। বিদেশি বায়ার রা কম মুল্য কাজ টা করার জন্য দেখা যায় ভারত ও বাংলাদেশ কে বেশি পসন্দ করে, কারন অন্যন্যা উন্নত দেশে এই সব কাজ করতে তাদের অনেক টাকা গুনতে হয়। এখন মিস্টার ফাহিম odesk.com এর এক জন সদস্য । তিনি ওয়ার্ডপ্রেস অনেক ভাল পারেন , তিনি odesk.com এর ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ গুলতে বিড করলেন এবং বায়ার কে তার পুর্বে কাজ করার উদাহারন দেখালেন তার নিজের মত করে বায়ারকে কনভেন্স করলেন দেখা গেল বায়ার খুশি হয়ে তাকে কাজ দিয়ে দিলো।
এভাবে আপনাকে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আপনার কাজ সংগ্রহ করতে হবে। এভাবে কিছু কাজ করতে করতে দেখবেন এক সময় অনেক বায়ার এ আপনার সাথে যোগাযোগ করে কাজ দিচ্ছে। এ ব্যবপারে আমি পরে আর বিস্তারিত আলোচনা কবো, এখন শুধু বুঝার সুবিধার জন্য কিছু কথা বলে রাখলাম।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে আপনার কি কি জানতে হবে

এমনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে আপনার শুধু কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট জানা থাকলে হবে , কিন্তু পেশাগত ভাবে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে চাইলে আপনাকে আর কিছু জিনিস জানতে হবে। কি কি জানতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
  • আপনাকে HTML, CSS সাথে ফটোশপ ভাল জানতে হবে।
  • পিএইচপি ও জাভাস্কিপ্ট জানা থাকলে আর অনেক ভাল হবে।
  • আপনাকে ইংলিশে অনেক দক্ষ হতে হবে।
আজ এই এখান থেকেই, আশা করি আপনাদের ভাল লাগলো। ভাল লাগলে মন্তব্য করে জানাবেন , আপনারা পাশে থাকলে আমি এই পর্ব গুলো ভাল ভাবে শেষ করতে পারবো বলে আশা করি।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা কি ? কোথায় করতে হয় ?

ফ্রিল্যান্সিং পেশা


আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।
চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এখানে আপনি প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ পাবেন । বর্তমান DoNanza [ফ্রিল্যান্স কাজের একটি সার্চ ইঞ্জিন] এ সমীক্ষায় প্রথম বিশটি ফ্রিল্যান্স কাজ হল  পিএইচপি , এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ , এইচটিএমএল , গ্রাফিক ডিজাইন ,ওয়েব ডিজাইন , এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,মাইএসকিউএল ,ফটোশপ , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভাস্ক্রিপ্ট , আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং , লোগো ডিজাইন , জুমলা , কপিরাইটিং , এজাক্স , ফেসবুক এপ্লিকেশন । আর বিস্তারিত দেখুন এখানে
ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস দের মধ্যে , GetaFreelancer Odesk ,‌ Scriptlance ,Getacoder , Rentacoder জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট । এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশন করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার । এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer এবং যারা এই কাজগুলো পায় এবং সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider অর্থাৎ আপনাকে Provider হিসাবে কাজ করতে হবে  ।

আমার চোখে বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে আয় সেরা ৩টি উপায়!!


সবাইকে আমার সালাম! আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনার সাথে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো , তাহল অনলাইন আয়। এখানে আমি ৩টি সেরা উপায় নিয়ে আলোচনা করবো, কিন্তু আর অনলাইনে আয় সম্পর্কে কিছু কথা বলে রাখি আগে ।
এসময় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কাছে সবচেয়ে আলোচিত একটা বিষয়। এদানিং বেশি ভাফ সাইট বা ব্লগে দেখি অনেক ধরনের লেখা। কেউ কেউ বলে সাইন আপ করলে ১০০০$ (জিম্বাবুয়ের ডলার হলে তা না হয় হত ;) ) !! হা হা হা! এগুলো বড়ই হাস্য কর ! একটা জিনিস মনে রাখবেন সৎ পথে আয় করতে অবশ্যই যোগ্যতার প্রয়োজন । ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার জন্য যেমন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হয় তেমনি অনলাইনে থেকে আয় করতে চাইলে আপনাকে এই বিষয় পড়া লেখা করতে হবে।

কাদের জন্য অনলাইনে আয়

আপনি কি জানেন আপনি অনলাইনে আয় করতে পারবেন কি না? আসলে অনলাইনে আয় করার জন্য কিছু যোগ্যতা অবশ্যই থাকতে হবে। কি কি যোগ্যতা থাকতে হবে তা নিম্নে দেওয়া হল।
  • আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে।
  • কম্পিউটার সম্পকে অনেক ভাল ভাবে জানতে হবে।
  • আপনাকে ওয়েব ল্যাগুয়েজ সম্পর্কে জানতে হবে যেমনঃ পিএইচপি ,  এইচটিএমএল , মাইএসকিউএল , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভা স্ক্রিপ্ট দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া গ্রাফিক ডিজাইন, এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,,ফটোশপ , ফ্লাশ ,  আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
  • প্রচুর পরিমানে ধর্য্য থাকতে হবে, কারন এই সব কাজে সফলতা পেতে মাঝে মাঝে অনেক সময় লেগে যায়।
  • সাম্প্রতিক সময় ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে।
তবে আমি যেসব কথা বললাম তা বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য অন্য দেশ এর থেকে আর বড় ধনের যোগ্যতার প্রয়োজন হতে পারে।

সেরা ৩টি উপায়

সেরা তিনটি উপায় হল গুগল এডসেন্স, নিবন্ধ লিখে আয়, ফ্রিল্যান্সিং পেশা । আসলে আমার চোখে  এই ৩টি সেরা উপায় কেন? এটা প্রশ্ন হতে পারে তাই না? আসলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এগুলোই সেরা উপায় , তার প্রধান কারন এদের পেমেন্ট সিস্টেম। আমাদের বাংলাদেশে এগুল প্রেমেন্ট সিস্টেম ভাল ভাবে কাজ করে। যেমন আপনি চেকে টাকা মাধ্যমে টাকা আনতে পারবেন। এই চেক যেকোন ব্যাংকে জমা দিলে আপনার একাউন্টে টাকা চলে যাবে। গুগল এডসেন্স চেকে টাকা পাঠিয়ে থাকে। গুগল এডসেন্স টাকা চেক এর মাধমে বাংলাদেশে টাকা আনার সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম। এছাড়া আপনি পাইওনিয়ার ডেবিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন ।ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করলে আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন ।

গুগল এডসেন্স

গুগল এডসেন্স অনলাইনে টাকায় আয় অনেক বড় ও বিশ্বাস একটা পথ। এথেকে অনেকে অনেক পরিমানে টাকা আয় করতেছে। গুগল এডসেন্স কিভাবে কাজ করে তা জানা দরকার তাই না , আপনারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়েব সাইট এ ভিজিট করেন , সে সময় দেখবেন বিভিন্ন পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড থাকে এবং তার নিচে লেখা থাকে এ্যাড বাই গুগল । আপনি বা অন্য কোন ভিজিটর ঐ  পিকচার এ্যাড বা টেক্সলিঙ্ক এ্যাড ক্লিক করলে সাইট এর মালিক তার গুগল এডসেন্স একাউন্টে নিদির্ষ্ট পরিমান ডলার জমা হয়ে যায় । আপনার একাউন্ট এ এক এডসেন্স ১০০ ডলার জমা হলে আপনি টাকা আনতে পারবেন । আর এটা চেক আর মাধ্যমে আনতে পারবে এবং যে কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারবেন। এডসেন্স প্রোগ্রাম গুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স । এদের পেমেন্ট ব্যবস্থাও অনেক ভাল এদের নামে এখন পযন্ত কোন খারাপ রিপোর্ট বেড় হয় নি । আসলে এটা সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন গুগল এর একটি প্রোগ্রাম । তাই খারাপ হয়ার কোন সুযোগ নেই ।
গুগল এডসেন্স আয় করতে হলে আপনা থাকতে হবে নিজের একটা ওয়েব সাইট/ব্লগ বা ব্লগ । এবং শুধু ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকলে যে সব হয়ে হয়ে গেল তা না , আপনার ওয়েব সাইট প্রচুর ভিজিটর থাকতে হবে । মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর থেকে এর উপরে , তাছাড়া ভাল আয় করা সম্ভব না । এখন আপনার ওয়েব সাইট / ব্লগ যাই থাক আপনাকে প্রতিদিন মিনিমাম প্রতিদিন ৭০০- ৮০০ ভিজিটর রাখতে হবে । ওয়েব সাইট বা ব্লগ থাকুক না কে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ ভাল হতে হবে , কারন বিডভারটাইজার ও গুগল এডসেন্স বাংলা সাইট এ সাপোর্ট করে না তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েব সাইট হবে সম্পুর্ন ইংলিশে । আপনাকে ওয়েব প্রোগ্রামিং [সিএসএস , পিএইচপি , এইচটিএমএল] সম্পর্কে ভাল ধারনা থাকতে হবে যাতে আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ কে ভাল ভাবে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন । ব্লগে লেখার হাত ভাল হতে হবে । আপনার লেখার হাত যদি ভাল না হয় তবে আপনি অনলাইনে থেকে আয় করা সম্ভব হবে । ভাল মানের লেখা লিখতে হবে , এবং লেখা অবশ্যই ইউনিক হতে হবে , কোন জায়গা থেকে কপি পেস্ট করে কিছু করতে পারবেন না ।

নিবন্ধ লিখে আয়

কিছু ব্লগ বা সাইট আছে যাতে আপনি পোস্ট দিয়ে আয় করতে পারেন। আসলে এটা এমন যে আপনি যখন আপনি যখন কোন পোস্ট দিবেন ঐ সাইটে তখন এই সাইটের যা আয় হবে তার নিদিস্ট একটা অংশ আপনাকে দিবে। এর মধ্যে সব জনপ্রিয় ২টি সাইট হল https://payperpost.com ও http://www.loudlaunch.com। এদের পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল । তবে এগুলোতে পোস্ট দিতে হলে আপনাকে অনেক ভাল ইংলিশ জানতে হবে । পোস্ট কোয়ালিটি অনেক হাই হতে হবে। পোস্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে। আর ভাল ভাবে জানতে সাইট দুটি ভাল ভাবে ঘাটেন। আর আমি পরে এগুলো নিয়ে আর আলোচনা করবো।

ফ্রিল্যান্সিং পেশা

আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং । ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার ।
যদিও আমাদের দেশে এখনও এ বিষয়টি অনেক এগিয়ে । এরই মধ্যে অনেকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছেন। পড়ালেখা শেষে বা পড়ালেখার সাথে সাথে ফ্রিল্যান্সিং করে গড়ে নিতে পারেন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে এবং তারা ভারত , পাকিস্থান এবং বাংলাদেশ কে বেশি কাজ দিতে চায় কারন তারা কম মুল্য কাজ় গূলো করিয়ে নিতে পারে। তবে আমাদের চেয়ে ভারত এবং পাকিস্তান সেই সুযোগ টিকে খুবই ভালভাবে কাজে লাগিয়েছে।
চাকুরীর বাইরে নিজের ইচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতা হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। এখানে আপনি প্রতি মূহুর্তে নতুন নতুন কাজ পাবেন । বর্তমান DoNanza [ফ্রিল্যান্স কাজের একটি সার্চ ইঞ্জিন] এ সমীক্ষায় প্রথম বিশটি ফ্রিল্যান্স কাজ হল  পিএইচপি , এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ , এইচটিএমএল , গ্রাফিক ডিজাইন ,ওয়েব ডিজাইন , এসইও , ওয়ার্ডপ্রেস ,মাইএসকিউএল ,ফটোশপ , সিএসএস , ফ্লাশ , জাভাস্ক্রিপ্ট , আর্টিকেল লেখা , ডেটা এন্ট্রি , ইন্টারনেট মার্কেটিং , লোগো ডিজাইন , জুমলা , কপিরাইটিং , এজাক্স , ফেসবুক এপ্লিকেশন । আর বিস্তারিত দেখুন এখানে
ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিস দেয় যাদেরকে বলা হয় ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস দের মধ্যে , GetaFreelancer Odesk ,‌ Scriptlance ,Getacoder , Rentacoder জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট । এগুলো থেকে যেকোন একটিতে রেজিস্ট্রিশন করে আপনি শুরু করতে পারেন আপনার ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার । এসব ওয়েবসাইটে যারা কাজ জমা দেয় তাদেরকে বলা হয় Buyer এবং যারা এই কাজগুলো পায় এবং সম্পন্ন করে তাদেরকে বলা হয় Provider অর্থাৎ আপনাকে Provider হিসাবে কাজ করতে হবে  ।